২২.৮.১৮

কর্ম এবং ভাগ্য -
কৃপা করে অবশ্যই পড়বেন ভক্তবৃন্দগন ।
●●●●●●●●●●●●●●●●●●●●●●●●●●●●●●
কর্মবাদী লোকেরা বলেন ভাগ্য কিছুই না , কর্মেই ভাগ্য পরিবর্তন করা যায় । আর ,ভাগ্যবাদী লোকেরা বলেন , কপালে ( ভাগ্যে ) যা লেখা আছে তাই হয় , এবার কর্ম যাই করেন না কেন ।
ভাগ্যবাদী আর কর্মবাদী লোকদের মধ্যে এই তর্ক বিতর্ক কখনো শেষ হতে পারেনা । তবেএটাও ঠিক যে , ভাগ্য আর কর্ম এই দুটির মধ্যে একটি সম্পর্ক অবশ্যই আছে । কর্ম থেকে ভাগ্য বানানো যায় বা ভাগ্য থেকে কর্ম , এই দুইটির মধ্যে কোন ভাল সম্পর্ক অবশ্যই আছে ।
ভাগ্য এবং কর্মের মধ্যে এই সম্পর্কটা বুঝানোর জন্য এই কাহিনীটা খুবই ভাল একটা উদাহরন হতে পারে ।
একবার মহর্ষি নারদ ভগবান বিষ্ণুর কাছে গিয়েছিলেন । তিনি অভিযোগের মনোভাব নিয়ে ভগবানকে বললেন , " পৃথিবীতে আপনার প্রভাব কমে গেছে প্রভু , ধর্মের পথে চলা লোকেরা কোন ভাল ফল পাচ্ছেনা , অথচ যারা পাপ করছে তারা ভাল ফল পাচ্ছে । "
ভগবান বলছেন , " না না এমনটা হতে পারেনা , যা কিছুই হচ্ছে সব নিয়তির মোতাবেক হচ্ছে । " নারদজী মানলেন না । ভগবান বললেন , "এমন কোনো ঘটনা বলো তো ?" নারদজী বললেন এখনই আমি এক জঙ্গল দিয়ে যাচ্ছিলাম , দেখলাম সেখানে একটি গাভী গর্তের মধ্যে আটকে গিয়েছিল , বাঁচানোর মতো কেউ ছিল না । তখনই এক চোর সেখান দিয়ে যাচ্ছিল , গাভীটিকে গর্তে আটকে পরে থাকা অবস্থায় দেখেও সে দাঁড়ায় নি , উল্টো গাভীর উপর পা রেখে সে অতিক্রম করে চলে গেল । কিছুদূর যাওয়ার পর সেই চোরটি সোনার অলংকারের একটি থলি পেয়ে গেল
কিছুক্ষণ পর সেখান দিয়ে একজন বৃদ্ধ সাধু যাচ্ছিল , সেই সাধু গাভীটিকে বাঁচানোর জন্য চেষ্টা করতে থাকে , সারা শরীরের জোড় দিয়ে টেনে টেনে অবশেষে গাভীটিকে উপরে উঠাতে সক্ষম হলো । কিন্তু আমি ( নারদজী ) দেখলাম , সেই সাধু কিছুদূর যাওয়ার পর একটি গর্তের মধ্যে পরেগিয়ে প্রান ত্যাগ করলো । তাহলে ভগবান আপনিই বলুন - এটা কোন ধরনের ন্যায় হলো ?"
ভগবান হাসলেন এবং বললেন , " হে নারদ , এটা ঠিকই হয়েছে । যে চোরটি গাভীর উপর পা রেখে ভেগে গিয়েছিল , তার পাপের কারনে সে কেবল কিছু স্বর্ন মোহরাই পেল যা অস্থায়ী , যেখানে সাধুকে গর্তের মধ্যে এই কারনেই পরতে হয়েছিল যে তার ভাগ্যে মৃত্যই লেখা ছিল , কিন্তু গাভীটিকে বাঁচানোর কারনে তার পুন্য এত বেড়ে গিয়েছিল যে তার মৃত্যুটা একটি ছোট্ট ব্যথায় বদলে গিয়েছিল । তাই হে নারদ , মনুষ্যের কর্মেই তার ভাগ্য নির্ধারিত হয় ।"
তখন নারদজী সন্তুষ্ট হলেন ।
জয় রাধা গোবিন্দের জয়
রাধে রাধে ।।
কৃষ্ণ নামই মুক্তির একমাত্র পথ....
হিন্দু ধর্ম বিষয়ে সকল প্রকার আপডেট পেতে আমাদের এই ছোট পেজটিতে লাইক দিয়ে আমাদের সঙ্গে থাকুন... লাইক করুন- 👍 কৃষ্ণের পবিত্র চিত্ররূপ
নমস্কার

collected

উপাসনার অর্থ কি ?

🌴🌹 উপাসনার অর্থ কি ? 🌴🌹

🌹 উত্তরঃ*- উপাসনা অর্থ ঈশ্বরকে স্মরণ করা...!!
একাগ্র চিত্তে ঈশ্বরকে ডাকা...!!
ঈশ্বরের আরাধনা করা...!!
উপাসনা ধর্ম পালনের অন্যতম প্রধান অঙ্গ পদ্ধতি...!!
ধ্যান, জপ, কীর্তন, পূজা, স্তব-স্তুতি, পদ্ধতিতে উপাসনা করা হয়...!!
একাগ্র চিত্তে ঈশ্বরের চিন্তা করার নাম ধ্যান...!!
নীরবে ঈশ্বরের নাম উচ্চারণ করাকে বলে জপ...!!
সরবে ঈশ্বরের নাম উচ্চারণ বা গুণগান করার নাম কীর্তন...!!
ঈশ্বরের প্রশংসা করে তাঁর নাম উচ্চারণ করাকে বলে স্তব-স্তুতি...!!
উপাসনা করলে দেহ-মন পবিত্র হয়...!!
উপাসনার সময় আমরা ঈশ্বরের প্রশংসা করি...!!
তাঁর আশীর্বাদ প্রার্থনা করি...!! সকলের কল্যাণ কামনা করি...!!

🌹উপাসনা আবার দুই প্রকার...!!
যেমনঃ*- সাকার উপাসনা ও নিরাকার উপাসনা...।।

¶সাকার উপাসনাঃ*-
 'সাকার' অর্থ যার আকার বা রূপ আছে...!! আকার বা রূপের মাধ্যমে ঈশ্বরের আরাধনা করাই সাকার উপাসনা...!!
বিভিন্ন দেব- দেবী, যেমন - ব্রহ্মা, বিষ্ণু, শিব, কালী, দুর্গা, লক্ষ্মী, সরস্বতী প্রভৃতি ঈশ্বরের সাকার রূপ...!!
আমরা ঈশ্বরকে দেব-দেবীর প্রতিমা রূপে ও অবতার রূপে উপাসনা করি...!!
এরূপ উপাসনায় ভক্ত ঈশ্বরকে সাকার রূপে কাছে পায়...!!
তাঁকে পূজা করে...!!
তাঁর নিকট প্রার্থনা করে...!!

¶নিরাকার উপাসনাঃ*-
 ঈশ্বরকে নিরাকার ভাবেও উপাসনা করা যায়...!! নিরাকার উপাসনায় ভক্ত নিজের অন্তরে ঈশ্বরকে অনুভব করেন...!!
ঈশ্বরের নাম জপ করেন অর্থাৎ নীরবে ঈশ্বরের নাম মনে মনে উচ্চারণ করেন...!!
ঈশ্বরের নাম কীর্তন করেন...!!
তাঁর স্তব- স্তুতি করে তাঁর নিকট প্রার্থনা জানান...!!
নিজের ও জগতের কল্যাণ কামনা করেন...!!
সুতরাং ধ্যান, জপ, কীর্তন, পূজা, স্তব-স্তুতি, পদ্ধতিতে আমরা ঈশ্বরের উপাসনা করবো...!!
উপাসনা একটি নিত্যকর্ম...!!
প্রতিদিন উপাসনা করতে হয়...!!
প্রতিদিন সকাল, দুপুর ও সন্ধ্যায় ঈশ্বরের উপাসনা করা কর্তব্য...!!
উপাসনার জন্য আমাদের দেহ মনের পবিত্রতার প্রয়োজন...!!
পরিষ্কার পরিছন্ন হয়ে উপাসনা করতে হয়...!!
মন্দিরে বা ঘরে বসে উপাসনা করা যায়...।।

👏 লেখার মাধ্যমে যদি কোন ভূল হয় সবাই ক্ষমা সুন্দর দৃষ্টিতে দেখবেন।
🍃🌻 আশীর্বাদ - Ashirbad 🍃🌻
পেইজে লাইক দিয়ে পেইজের পোষ্ট গুলো পড়ে ধর্ম জ্ঞান অর্জন করুন ।আপনার বন্ধুদের আমাদের পেজে #ইনভাইট করুন যাতে করে তারাও আপনার মত ধর্মীয় ঞ্জান অর্জনের সুযোগ পায়।
☀ 🌷 হরে কৃষ্ণ ☀🌷

collected

এই বিশ্বব্রহ্মাণ্ডে ভগবান মহাদেবের অবস্থান

এই বিশ্বব্রহ্মাণ্ডে ভগবান মহাদেবের অবস্থান শ্রীমদ্ভাগবত,

ব্রহ্মসংহিতা , পদ্মপুরাণ প্রভৃতিতে খুব সুন্দর ভাবে বর্ণনা করা হয়েছে।


শ্রীমদ্ভাগবত(১২।১৩।১৬) তে বলা হয়েছে "বৈষ্ণবনাম যথা শম্ভু"

অর্থাৎ ভগবান শিব বৈষ্ণবদের ভিতর শ্রেষ্ঠ।


শ্রীমদ্ভাগবত(৬.৩.২০) আমাদের জানায় যে ভগবান শিব হচ্ছে বৈষ্ণব

দর্শনের কর্তৃত্বকারী ১২ জন মহাজনের একজন।

শ্রীমদ্ভাগবত(৪.২৪.৭৬) অনুযায়ী ভগবান শিব বললেন "কেউ যদি তার

রুদ্র গীতা প্রার্থনা পড়ে তাহলে সে ভগবান শ্রীকৃষ্ণের কৃপা লাভ

করতে পারবে।"


ভগবান শিব তার পত্নী মাতা পার্বতী কে বলেন

যে তিনি সমুদ্রমন্থনে উত্থিত হলা হলা বিষ পান করেছিলেন ভগবান

বিষ্ণুকে সন্তুষ্ট করার জন্য।শ্রীমদ্ভাগবত(৮.৭.৪০)

পদ্ম পুরাণে ভগবান শিব মাতা সতীকে বলছেন..."শ্রী রাম রাম

রামেতি রামে রামে মনোরমে সহস্র নামাঃ তত তুলম রাম নামা ভরনানে"

অর্থাৎ ভগবান শিব স্পষ্টত বলছেন যে তিনি রাম নাম জপে তুষ্ট হন।

ভগবান শিব ভগবান বিষ্ণুর মোহিনী মূর্তি দেখে হতভম্ব

হয়ে গিয়েছিলেন। ভগবান শিব পরে প্রকাশ করেন যে তিনি ভগবান

শ্রীকৃষ্ণের অলীক লীলা পুরোপুরি অনুধাবন করতে অসমর্থ।

এটি বলা হয়েছে শ্রীমদ্ভাগবত(৮.১২.১০) শ্লোকে।

যখন ভগবান শ্রীকৃষ্ণ অর্জুনকে বিশ্বরূপ দর্শন করিয়েছিলেন তখন

অর্জুন বলেছিলেন... " ভগবান শ্রীকৃষ্ণ , আমি আপনার মধ্যে সকল

দেবতা এবং প্রাণীজগতকে দেখতে পাচ্ছি।

আমি দেখতে পাচ্ছি ব্রহ্মা একটি পদ্ম ফুলের উপর

বসে আছেন,তেমনি আমি আপনার ভিতর ভগবান শিব এবং অনন্ত নাগ কেও

দেখতে পাচ্ছি। শ্রীমদ্ভগবত গীতা ( ১১।১৫)

বৃন্দাবনে ভগবান শ্রীকৃষ্ণের রাস লীলার সময় ভগবান শিব

গোপীদের সাথে রাস নৃত্তে অংশগ্রহণ করতে ইচ্ছা প্রকাশ

করেছিলেন।

ব্রহ্মসংহিতা (১০ম শ্লোক) স্পষ্টত প্রতিষ্ঠা করে যে ভগবান মহেশ্বর

ভগবান বিষ্ণুর নিকট থেকে শক্তি প্রাপ্ত হয়েছেন। " ভগবান শম্ভু এই

জড় জগতে কার্যকারণ সম্বন্ধীয় নীতির প্রতিমূর্তি,যিনি পুরুষ

হিসেবে তার পত্নী প্রকৃতির(মায়া) সাথে যুক্ত

হয়ে সৃষ্টি করে চলেছেন। এই বিশ্বের ঈশ্বর ভগবান মহা বিষ্ণু ভগবান

মহেশ্বরের ভিতর প্রতীয়মান আছেন।"

ভগবান শিব অবতার এবং অবেশ কোনটি নন এবং তিনি এই দুটির মধ্যবর্তীও

নন। ভগবান শিব দেবতাদের দেবতা এবং স্বয়ং ব্রহ্মার থেকেও শ্রেষ্ঠ।

ভগবান মহাদেব এই বিশ্ব ব্রহ্মাণ্ডের আধ্যাত্মিক গুরু। তার নিজের

আধ্যাত্মিক সম্প্রদায় রয়েছে এবং সেটি রুদ্র সম্প্রদায় মানে পরিচিত।

Har Har Mohadev


collected

রাধা কৃষ্ণের দিব্য সম্পর্ক কি ?

রাধা কৃষ্ণের দিব্য সম্পর্ক কি ? 
•••••••••••••••••••••••••••••••••••••••••••••••

লেখাটি পড়ে দেখুন, আপনার সব ধারনা ক্লিয়ার হয়ে যাবে
রাধা কৃষ্ণের দিব্য সম্পর্ক সম্মন্ধে জানতে হলে আগে জানতে হবে রাধা রানী কে এবং তাঁর এই রাধা নামের কারন কি??

রাধারানী রাস মন্ডলে আবির্ভূত হয়েছিলেন বলে 'রা'
এবং পরমেশ্বর ভগবানকে আরাধনার জন্য পুষ্প সহ ধাবিত হয়েছিলেন বলে 'ধা'
__ এভাবেই তিনি হলেন রাধা।।

(পরমেশ্বর ভগবানের লীলা রহস্য)
একটি বিষয় মনে রাখতে হবে, শ্রী ভগবান যখন দুষ্টের দমন এবং শিষ্টের পালনের জন্য ধরাধামে অবতার হয়ে আসেন তখন তিনি কিন্তু একা আসেন না।। আসেন তাঁর পারিষদ সহ, তাঁর অন্তরঙ্গা শক্তি সহ।। যেমন ত্রেতা যুগে রাম এবং সীতা, কলিযুগে শ্রী চৈতন্য মহাপ্রভু এবং মা বিষ্ণুপ্রিয়া।। একই ভাবে দ্বাপর যুগের শেষে আসলেন স্বয়ং ভগবান শ্রীকৃষ্ণ এবং রাধা রানী।। ভগবান ধরাধামে এলে প্রচলিত নিয়ম অনুযায়ীই লীলা করেন।। দেবকীর গর্ভে আসলেন কৃষ্ণ এবং রাজা বৃষভানুর ঘরে আসলেন রাধারানী।। এবার একটু বেদের দিকে তাকাই।। বেদে লক্ষ্মী নারায়নের কথা বলা আছে।। স্বামী নারায়ন নিজে নিজেই সৃষ্টি হয়েছেন এবং তাঁকে কেউই সৃষ্টি করেন নি।। আবার শ্রীকৃষ্ণ গীতায় বলেছেন, আমিই সমগ্র বেদের কৃষ্ণ।। অর্থাৎ আমাদের এই শ্রীকৃষ্ণই হলেন সমগ্র বেদের নারায়ন।। অর্থাৎ সবই এক।। তাই স্বামী নারায়নের সাথে সার্বক্ষণিক সেবারত অবস্থায় যে লক্ষ্মী মাতাকে দেখি প্রকৃত অর্থে তিনিই রাধারানী।।
রাধা রানী কি আয়ান ঘোষকে প্রকৃত অর্থে বিবাহ করেছিলেন ? রাধারানী ধ্যান কল্পে বারবার শুধু শ্রীকৃষ্ণকেই মালা পরিয়েছিলেন।।
সুতরাং, রাধারানী কৃষ্ণের হ্লাদিনী শক্তি যে শক্তির প্রভাবে তিনি সৃষ্টি করেন।। মহাভাব স্বরুপা শ্রী রাধা ঠাকুরানী সর্বগুণ খনি কৃষ্ণ কান্তা শিরোমনি।' আবার এক অর্থে রাধা কৃষ্ণের কোন ভেদ নেই।। তাঁরা অভেদ, তাঁরা একাত্মা।। আর তাইতো, 'রাধা পূর্ণ শক্তি, কৃষ্ণ পূর্ণ শক্তিমান দুই বস্তু ভেদে নাই, শাস্ত্রের প্রমান।' জয় রাধামাধব জয় কুঞ্জবিহারী।। খুব ছোট করে বললাম।।
ভুল বললে ক্ষমা করবেন।।
আর আপনাদের মতামতের অপেক্ষায় থাকলাম ...... দাদা ও দিদিরা প্লীজ এড়িয়ে যাবেন না। আমরা চাই পৃথিবীর আনাচে কানাচে সনাতন ধর্মকে ছড়িয়ে দিতে। আর এজন্য আপনার
সহযগিতা একান্ত ভাবে কামনা করছি।

শ্রী চৈতন্য মহাপ্রভু কে ছিলেন ????

 শ্রী চৈতন্য মহাপ্রভু কে ছিলেন ?

➡ শ্রী চৈতন্য মহাপ্রভু (১৪৮৬ – ১৫৩৪) ছিলেন একজন হিন্দু সন্ন্যাসী এবং ষোড়শ শতাব্দীর বিশিষ্ট বাঙালি ধর্ম ও সমাজ সংস্কারক। তিনি অধুনা পশ্চিমবঙ্গের নদিয়ায় জন্মগ্রহণ করেছিলেন। গৌড়ীয় বৈষ্ণবগণ তাকে শ্রীকৃষ্ণের পূর্ণাবতার মনে করেন। শ্রীকৃষ্ণ চৈতন্য ছিলেন ভাগবত পুরাণ ও ভগবদ্গীতা-য় উল্লিখিত দর্শনের ভিত্তিতে সৃষ্ট বৈষ্ণব ভক্তিযোগ মতবাদের একজন বিশিষ্ট প্রবক্তা।তিনি বিশেষত রাধা ও কৃষ্ণ রূপে ঈশ্বরের পূজা প্রচার করেন এবং হরে কৃষ্ণ মহামন্ত্রটি জনপ্রিয় করে তোলেন। সংস্কৃত ভাষায় শিক্ষাষ্টক নামক প্রসিদ্ধ স্তোত্রটিও তারই রচনা। গৌড়ীয় বৈষ্ণব মতানুসারে, ভাগবত পুরাণের শেষের দিকের শ্লোকগুলিতে রাধারানির ভাবকান্তি সংবলিত শ্রীকৃষ্ণের চৈতন্য রূপে অবতার গ্রহণের কথা বর্ণিত হয়েছে।

চৈতন্য মহাপ্রভুর পূর্বাশ্রমের নাম 'গৌরাঙ্গ', বা 'নিমাই'। তার গাত্রবর্ণ স্বর্ণালি আভাযুক্ত ছিল বলে তাকে 'গৌরাঙ্গ' নামে অভিহিত করা হত;অন্যদিকে, নিম বৃক্ষের নিচে জন্ম বলে তার নামকরণ হয়েছিল 'নিমাই'। ষোড়শ শতাব্দীতে চৈতন্য মহাপ্রভুর জীবনী সাহিত্য বাংলা সন্তজীবনী ধারায় এক নতুন যুগের সূচনা ঘটিয়েছিল। সেযুগে একাধিক কবি চৈতন্য মহাপ্রভুর জীবনী অবলম্বনে কাব্য রচনা করে গিয়েছেন। এগুলির মধ্যে উল্লেখযোগ্য হল: কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামীর #চৈতন্য_চরিতামৃত, বৃন্দাবন দাস ঠাকুরের #চৈতন্য_ভাগবত, এবং লোচন দাস ঠাকুরের #চৈতন্যমঙ্গল।

👏🌻 শ্রী চৈতন্য মহাপ্রভুর আর্বিভাবঃ 👏🌻

চৈতন্য চরিতামৃত গ্রন্থের বর্ণনা অনুযায়ী, ১৪৮৬ খ্রিস্টাব্দের ১৮ ফেব্রুয়ারি দোলপূর্ণিমার রাত্রে চন্দ্রগ্রহণের সময় নদিয়ার নবদ্বীপে চৈতন্য মহাপ্রভুর জন্ম।তাঁর পিতামাতা ছিলেন অধুনা পশ্চিমবঙ্গের নদিয়া জেলার অন্তর্গত নবদ্বীপের অধিবাসী জগন্নাথ মিশ্র ও শচী দেবী। চৈতন্যদেবের পূর্বপুরুষেরা ছিলেন ওড়িশার জাজপুরের আদি বাসিন্দা। তাঁর পিতামহ মধুকর মিশ্র ওড়িশা থেকে বাংলায় এসে বসতি স্থাপন করেন।

চৈতন্যদেবের পিতৃদত্ত নাম ছিল বিশ্বম্ভর মিশ্র। প্রথম যৌবনে তিনি ছিলেন স্বনামধন্য পণ্ডিত। তর্কশাস্ত্রে নবদ্বীপের নিমাই পণ্ডিতের খ্যাতি ছিল অবিসংবাদিত। জপ ও কৃষ্ণের নাম কীর্তনের প্রতি তাঁর আকর্ষণ যে ছেলেবেলা থেকেই বজায় ছিল, তা জানা যায় তাঁর জীবনের নানা কাহিনি থেকে। কিন্তু তাঁর প্রধান আগ্রহের বিষয় ছিল সংস্কৃত গ্রন্থাদি পাঠ ও জ্ঞানার্জন। পিতার মৃত্যুর পর গয়ায় পিণ্ডদান করতে গিয়ে নিমাই তাঁর গুরু ঈশ্বর পুরীর সাক্ষাৎ পান। ঈশ্বর পুরীর নিকট তিনি গোপাল মন্ত্রে দীক্ষিত হন। এই ঘটনা নিমাইয়ের পরবর্তী জীবনে গভীর প্রভাব বিস্তার করে। বাংলায় প্রত্যাবর্তন করার পর পণ্ডিত থেকে ভক্ত রূপে তাঁর অপ্রত্যাশিত মন পরিবর্তন দেখে অদ্বৈত আচার্যের নেতৃত্বাধীন স্থানীয় বৈষ্ণব সমাজ আশ্চর্য হয়ে যান। অনতিবিলম্বে নিমাই নদিয়ার বৈষ্ণব সমাজের এক অগ্রণী নেতায় পরিণত হন।

কেশব ভারতীর নিকট সন্ন্যাসব্রতে দীক্ষিত হওয়ার পর নিমাই শ্রীকৃষ্ণ চৈতন্য নাম গ্রহণ করেন। সন্ন্যাস গ্রহণের পর তিনি জন্মভূমি বাংলা ত্যাগ করে কয়েক বছর ভারতের বিভিন্ন তীর্থস্থান পর্যটন করেন। এই সময় তিনি অবিরত কৃষ্ণনাম জপ করতেন। জীবনের শেষ চব্বিশ বছর তিনি অতিবাহিত করেন জগন্নাথধাম পুরীতে। ওড়িশার সূর্যবংশীয় হিন্দু সম্রাট গজপতি মহারাজা প্রতাপরুদ্র দেব চৈতন্য মহাপ্রভুকে কৃষ্ণের সাক্ষাৎ অবতার মনে করতেন। মহারাজা প্রতাপরুদ্র চৈতন্যদেব ও তাঁর সংকীর্তন দলের পৃষ্ঠপোষকে পরিণত হয়েছিলেন। ভক্তদের মতে, জীবনের শেষপর্বে চৈতন্যদেব ভক্তিরসে আপ্লুত হয়ে হরিনাম সংকীর্তন করতেন এবং অধিকাংশ সময়েই ভাবসমাধিস্থ থাকতেন।

👏🌹 অবতারত্ব 👏🌹

ভগবানের সঙ্গে প্রেমময়ী সম্পর্ক সমন্ধে শিক্ষা দান করার জন্য ভগবান শ্রীকৃষ্ণ সেই দ্বাপরের অব্যবহিত কলিযুগের প্রথম সন্ধ্যায় শ্রীচৈতন্য মহাপ্রভু রূপে নদীয়াতে প্রকাশিত হন । শুদ্ধভক্তিতে ভগবান আকৃষ্ট হন । শুদ্ধভক্ত ভগবানের প্রতি আকৃষ্ট । কেউ যদি ভগবান শ্রীকৃষ্ণের অপ্রাকৃত প্রকৃতির প্রতি আকৃষ্ট না হয়, তা হলে সে অবশ্যই জড়সুখভোগের প্রতি আকৃষ্ট হবে এবং পাপ-পুণ্যের কর্মফলের প্রতি আবদ্ধ হয়ে একের পর এক জড় দেহ ধারণ করে জাগতিক বন্ধনে আবদ্ধ থাকবে । কৃষ্ণচেতনাই জীবনের পরম পুর্ণতা । সেজন্য বদ্ধ জীবদের মধ্যে শুদ্ধ কৃষ্ণভক্তি চেতনা প্রদানের জন্য ভক্তিভাব অবলম্বন করে ভগবান শ্রীকৃষ্ণ কৃষ্ণচৈতন্য রূপে অবতীর্ণ হন ।

মহাভারতের দানধর্মে, বিষ্ণুসহস্রনাম স্তোত্রে পরমেশ্বর ভগবানের রূপগুনের বর্ণনা করা হয়েছে, এভাবে —-

সুবর্ণবর্ণো হেমাঙ্গো বরাঙ্গশ্চন্দনাঙ্গদী ।
সন্ন্যাসকৃচ্ছমঃ শান্তো নিষ্ঠাশান্তিপরায়ণঃ ।।

সুবর্ণবর্ণ- সোনার মতো উজ্জল অঙ্গকান্তি, হেমাঙ্গ- শুধু সোনার মতো নয়, তপ্ত বা গলিত সোনার মতো অঙ্গ, বরাঙ্গ- অপূর্ব সর্বাঙ্গসুন্দর রূপ, চন্দনাঙ্গদী—চন্দনে চর্চিত অঙ্গ , সন্ন্যসকৃৎ– সন্ন্যাস আশ্রম গ্রহণকারী, শম— শমগুণ সম্পন্ন, শান্ত—ধীর, কৃষ্ণভক্তি ব্যতীত অন্য বিষয়ে উদাসীন, নিষ্ঠা— ভক্তির পরম আশ্রয় । এই সমস্ত বর্ণণা শ্রীকৃষ্ণচৈতন্য মহাপ্রভুকেই নির্দেশ করে ।

শ্রীমদ্ভাগবতে একাদশ স্কন্ধে পঞ্চম অধ্যায়ের একত্রিশ শ্লোকে কলিযুগের আরাধ্য ভগবান সমন্ধে বর্ণণা রয়েছে —

“কলিযুগে যারা সুবুদ্ধি সম্পন্ন ব্যাক্তি, তাঁরা অবশ্যই নাম সংকীর্তন যজ্ঞ দ্বারা, সেই কৃষ্ণ যিনি অ-কৃষ্ণ বা গৌররূপে আবির্ভুত হয়েছেন, তাঁর আরাধনা করবেন । সেই ভগবান সর্বদা তাঁর পার্ষদ, সেবক, সংকীর্তন অস্ত্র ও ঘনিষ্ঠ সহচর পরিবৃত থাকেন ।”
উপপুরাণে শ্রীব্যাসদেবের প্রতি শ্রীহরির উক্তি এরকম—“হে ব্রাহ্মন । কখনও কখনও অবশ্যই আমি কলিযুগের অধঃপতিত পাপী মানুষদের হরিভক্তি প্রদান করবার জন্য সন্ন্যাস-আশ্রম অবলম্বন করি ।”

শ্রীচৈতন্য মহাপ্রভু হচ্ছেন-প্রদত্ত দিব্যনাম কীর্তনের পন্থা কেবল সহজসাধ্যই নয়, পারমার্থিক পুর্ণতা লাভের, জীবনের চরম সার্থকতা লাভের জন্য যত আধ্যাত্মিক পন্থা আছে, প্রেমপুর্ণ এই পন্থা তাঁর মধ্যে সর্বশ্রেষ্ঠ, সর্বোত্তম । ভক্তিযোগের সর্বোচ্চ পন্থা কেবল ভগবানই প্রদান করতে পারেন — অন্য কেউ নয়, আর এজন্য ভগবান স্বয়ং ভক্তরূপে অবতীর্ণ হন । তিনিই শ্রীচৈতন্য মহাপ্রভু ।

জয় শ্রীচৈতন্যমহাপ্রভু :)
<3 হরে কৃষ্ণ <3

collected

হিন্দুরা কেন গো মাংস ভক্ষন করে না?

হিন্দুরা কেন গো মাংস ভক্ষন করে না? গো মাংস ভক্ষন এ কি করতে হয়? গো ঘাতক বা হত্যা কারী শাস্তি কি?
গো চামড়ার জুতা পরা উচিত কি?

হিন্দু শ্রাস্ত্র বেদ নির্ভর। বেদ হলো ইশ্বর বাক্য। যা অলঙ্ঘনীয়। বেদ ঈশ্বর প্রদত্ত আদেশ নির্দেশনা কি করে জীবন আচরণ করবো তা মুলত স্মৃতি দ্বারা বুঝা য়ায়।।
প্রথমে আসি বেদ কি বলে?

প্র নু বোচং চিকিতুষে জনয়া,মা গামনাগা মদিতিং বধিষ্ট।।(ঋগবেদ ৮/১০১ / ১৫।)

- -ঈশ্বর বলছেন, আমি জ্ঞানবান কে বলছি যে তোমারা নিরপরাধ গো জাতিকে হত্যা করো না।।
এখন তথাকথিত বুদ্ধি জীবিরা বলবে এখানে হত্যা করতে নিষেদ করছে। খেতে তো নয়! আরে ভাই যাকে কাটা যাবে না তাকে খাবার তো প্রশ্ন আসে না। বেদের এই বাক্যর পূর্ন ব্যাখ্যা আছে স্মৃতি তে। যা আমাদের আদি পিতা মনু ও বাকী ১৮ জন বেদবিদ মহর্ষি গণ দ্বারা ব্যাখ্যা করা।।
আসুন দেখি কি বলে স্মৃতি-
ব্রক্ষহত্যা সুরাপানং স্তেয়ং গুর্ববঙ্গনাগমঃ।
মহান্তি পাতকান্যাহুঃ সংসর্গশ্চাপি তৈঃ সহ।।
মনু। ব্রাম্মহত্যা (মানুষ ও গো হত্যা),মদ পান,চৌর্য, কন্যা,মাতৃ স্থানীয় নারী সংঙ্গম এই চারটি মহাপাতক। যারা এই কর্ম করে তাদের সাথে বাস করা শয়ন উপবেশন করলে সেও মহা পাপী।। তাই বলা যায় গো হত্যা নিষেধ।।

এবার আসি গোমাংসভোজী হলে কি করতে হয়?

গোমাংস ভক্ষনে প্রাজাপত্যং চরেদিতি।।

সমন্ত স্মৃতি।। অনিচ্ছা পূর্বক গো মাংস একবার ভক্ষনে প্রজাপত্য ব্রত করিবে।
গো অশ্ব বারহ কুন্জারোষ্টী চ সর্বং পন্চনখ তথা।।
ক্রব্যাদং কুক্কুটং গ্রাম্য কুর্যাৎ সংবৎসর ব্রতমিতি।।
শঙ্খ সংহিতা।। গরু, অশ্ব, শুকর, হাতি গ্রাম্য কুক্কুটাদি মাংস ভোজন করলে সম্বৎসর ব্রত করিবে।। সুতরাং এখানে স্পষ্ট বুঝা যায় কোন কোন মাংস আমাদের খাওয়া যাবে না।।
যেহেতু বেদ ও স্মৃতি দুই গো হত্যা ও খাওয়া নিষেদ তাই আমরা হিন্দুরা গো মাংস খাই না।।

কেউ যদি গো ঘাতক হয় তার শাস্তি কি?

যদি নো গাং হংসি যদ্যশ্বং যদি পুরুষম।।
তং ত্বা সীসেন বিধ্যামো যথা নোহসো অবীরহা।।(অর্থববেদ ১/ ১৬/ ৪)

আর তুমি যদি আমাদের গরু অশ্ব ও প্রজাদিগকে হিংসা করো বা হত্যা করো তবে তোমাকে সীসা দ্বারা বিদ্ধ করিব। আমাদের সমাজের মধ্যে যেন বীরদের বিনাশকারী কেহই না থাকে।। এখানে বলা হচ্ছে যদি কেউ গো ও মানব হত্যা করে ইচ্ছা করে তাকে সীসা বিদ্ধ করতে।।

এবার আসি আমরা গো মাংস খাইনা তবে কেন গো চামড়ার জুতা পরি?

আসলে বেদ ও বৈদিক সমাজ বা সমগ্র আর্যার্বত বা সিন্ধু সভ্যতা গো চামড়ার জুতা পরা হতো না।। ঐ সময় হতে এখন পর্যন্ত হিন্দু সমাজের লোকজন খরম বা চটি পরতো।। কাঠের তৈরী জুতা কে খরম ও ভেড়ার বা মোষের চামড়ার তৈরী জুতা কে চটি বলে।। কিন্তু দূর্ভাগ্য বশত এখন আধুনিকতা নামে প্রাচ্য সভ্যতার ক্রমবিকাশে এখন গো চামড়ার জুতা অনেক হিন্দু পরে।।। কারন এখন এটা না পরে যবন সভত্যার সাথে সখ্যতা থাকেনা।। তাই অনেকে তা পরে। তবে আজ আর্যার্তের ধর্ম গুরু গণ বা সন্নাসী গণ খরম ব্যাবহার করে।চামড়ার জুতা নয়।

৫.৮.১৮

হরিনাম জপ সম্পর্কে এ.সি ভক্তিবেদান্ত স্বামী প্রভুপাদের ১০টি প্রধান উক্তি

হরিনাম জপ সম্পর্কে এ.সি ভক্তিবেদান্ত স্বামী প্রভুপাদের ১০টি প্রধান উক্তি :👏👏👏

১) যিনি হরিনাম জপের সময় দিব্য আনন্দ অনুভব করেন তিনি খুব শীঘ্রই সকল জড় কলুষ থেকে পরিশুদ্ধ হবেন।

২) কেবলমাত্র অামাদের প্রাত্যাহিক জপ যথাযথভাবে সম্পাদনের মাধ্যমে আমরা সকল পাপকর্মফল হতে মুক্ত হতে পারি।

৩) শুদ্ধভাবে নিয়মিত জপ ব্যাতিরেকে আমরা কখনই পূর্ণরূপে কৃষ্ণভাবনাময় হতে পারবোনা। জপই হচ্ছে পূর্ণরূপে কৃষ্ণভাবনাময় হওয়ার সবচেয়ে শক্তিশালী পন্থা।

৪) আমাদের শক্তি হচ্ছে চারটি নিয়ম পালন আর ষোল মালা জপ।

৫) প্রত্যেকেই নবীন দশা থেকেই ভক্তিজীবন শুরু করে, কিন্তু কেউ যদি যথাযথভাবে নির্দেশিত সংখ্যক হরিনাম সম্পন্ন করে, তবে সে ধীরে ধীরে উত্তম অধিকারী স্তরে উন্নীত হবে। - ভক্তিরসামৃতসিন্ধু

৬) শ্রীগুরুদেবের দেওয়া সকল মূলনীতিগুলোর মধ্যে ১৬ মালা জপই হচ্ছে সর্বোপরি।

৭) সর্বনিম্ম ১৬ মালা আমাদের জপ করতে হবে। কিন্তু নিরন্তর জপই আমাদের মূল লক্ষ্য।

৮) যখন জপ প্রেম এবং আন্তরিকতার সাথে করা হয়না, তখন তা হতে লক্ষ্যনীয় কোন জাগতিক বা পারমার্থিক সুফল লাভ হয়না। কিন্তু সেই একই জপ যদি প্রেম ও আন্তরিকতার সাথে সম্পাদন করা হয়, তবে তা আমাদের এক বিশুদ্ধ মানসিকতার স্তরে উন্নীত করে।

৯) জপ যে কেবল নীরবেই করতে হবে সেই সম্পর্কে কোন বাধ্যবাধকতা নেই, এটা বিভিন্নভাবে করা যেতে পারে। উচ্চস্বরে হোক বা নীরবে, সবটাই ঠিক। এক্ষেত্রে কোন সীমাবদ্ধতা নেই। তবে এটা অবশ্যই আন্তরিকভাবে করা এবং খুব গভীরভাবে সেই দিব্য শব্দতরঙ্গ শ্রবণ করা উচিত।

১০) আপনার জপমালাটাই হচ্ছে আপনার ভগবদ্ধামে ফিরে যাওয়ার টিকিট।

🙏🙏জয় শ্রীল প্রভুপাদ!🙏🙏